এক নজরে মাদরাসা
তোমরাই সর্বোত্তম জাতি, তোমাদেরকে মানবতার কল্যাণে সৃষ্টি করা হয়েছে।
তরফদার মডেল মাদ্রাসা একটি অলাভজনক, অরাজনৈতিক ও স্বীকৃত শিক্ষা সংস্থা, যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত এবং ১৯৯৫ সাল থেকে একটি ইসলামি শিক্ষা মিশনের অংশ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য একটি নৈতিক, আধুনিক ও মানবিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা-যা বিশেষ করে অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে মানসম্পন্ন শিক্ষার আওতায় আনা। আমরা আধুনিক মাদ্রাসা শিক্ষার প্রসার, আল-কুরআন শিক্ষার প্রচার, আদর্শ মানুষ গড়ার উদ্যোগ, দারিদ্র্য বিমোচন, গবেষণা ও মানবসেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকি। কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থার ইসলামী সংস্কৃতি চর্চা, মননশীল প্রকাশনা ও সুশিক্ষার বিস্তারে তরফদার মডেল মাদ্রাসা জাতিগঠনের মহৎ প্রত্যয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক:
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক
জনাব ওয়াজেদ তরফদার পিতা মৃত আব্দুর রহিম তরফদার মাতা মৃত ওয়াজেদাননেছা গ্রামঃফতেপুর,সদর,যশোর। তিনি "বি.আই.ডব্লিউ.টি.এ" এর সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তার চাকুরী হতে অবসরের পর ফতেপুর গ্রামের শিশুদেরকে শিরক,কুফরি ও ধর্মান্ধতা রক্ষা করার জন্য তার পেনশিয়ানের মূল বৈধ অর্থ হতে সর্বপ্রথম ১৯৯৫ইং সাল শিশু মক্তব অর্থাৎ কুরআনের শিক্ষার জন্য ফতেপুর শিশু মক্তব ও দুস্থ্য এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করেন।যার প্রথম শিক্ষক ছিলেন মাওলানা মোঃশরিফুল ইসলাম ও মাওলানা মোঃআব্দুল জলিল।তার মেজ ভাই আব্দুল আলিম তরফদার সাহেবকে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব দেন। যিনি কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের একজন সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ফতেপুর শিশু মক্তব ও দুস্থ্য এতিমখানাকে শিশু মক্তব ও হাফিজিয়া মাদরাসায় উত্তীর্ণ করেন। পরবর্তীতে তরফদার ওয়াজেদ সাহেবের অসুস্থতার কারণে তার বড় ছেলে জনাব তরফদার রুহুল আমিন সাহেবকে ২০১১সাল হতে উক্ত প্রতিষ্ঠানের সার্বিক দায় দায়িত্ব অর্পণ করেন। ফতেপুর শিশু মক্তবটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে জনাব ওয়াজেদ তরফদার ঢাকায় অবস্থান করার কারণে তার ছোট ভাই জনাব আব্দুল হালিম তরফদার সাহেব সার্বিকভাবে প্রতিষ্ঠানটি তত্ত্বাবধায়ন করেন। প্রতিষ্ঠানটি শুরু হতে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সম্পূর্ণ ফ্রী ভাবে শিক্ষা প্রদান করানো হচ্ছে। পরবর্তীতে হিফজ বিভাগ ও ছাত্রদের প্রতিষ্ঠান লগ্ন হতে ২০২৪ ইং সাল পর্যন্ত খানা সহ সার্বিক সকল খরচ প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করত।পরবর্তীতে ২০২৪ইং সাল হতে আংশিক কিছু খরচ নেওয়া হচ্ছে ছাত্রদের থেকে।